শনিবার, ৩১ মার্চ, ২০১২

ডিম্ব সমাচার --ডিমের মূল্যবৃদ্ধির কারন (বিশেষ পতি-বেদন)



গত কিছুদিন থেকে ডিমের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে চলছে। এ নিয়ে জাতির নানা-নাতির মাথা বথ্যার দরুন
নাচিনার গতিহীন পতি-বেদক তীর্থের কাক বিভিন্ন জনের সাথে কথা বলে আসল কারন জানার চেষ্টা করেন। তিনি
এই প্রতিবেদন প্রকাশ না করায় আমি তা প্রকাশ করলাম।

   তীর্থের কাক প্রথমেই দেশের মুরগী ও কুরছি মুরগী সমাজের প্রতিনিধি চেহারা খাতুনের সাথে কথা বলেন। চেহার খাতুন
তাকে জানান দেশে প্রধান বীর্যবান মুরগা তাদের সঙ্গবাদ দিয়ে রঙ্গ ভবনে বসবাস শুরু করায় মুরগীরা তার বীর্যের আভাবে
ঠিক মতো ডিম সরবরাহ করতে পারছেনা। তিনি এই জন্য মুরাগার দ্রুত সঙ্গ কমনা করেন।
 
  এদিকে মুরগী সমাজের আরেক মুরগী গোল বানু বলেন, ডিম পাড়া মুরগীদের কাম। কিন্তু ইদানিং দেখা যাচ্ছে কিছু মন্ত্রী
মুরগীদের সাথে প্রতিযোগীতা করে নিজেরাই ডিম পাড়া শুরু করেছে এবং বিশেষ সাফল্য দেখাচ্ছে। তাই মুরগী সমাজ আজ
চোখে অন্ধকার দেখছে। কর্মসংস্থান হারনোর ভয়ে তারা ডিম পাড়ায় ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। যতোদিন না মন্ত্রীরা ডিম পাড়া
বন্ধ করবে,ততোদিন এ আন্দোলন চলবে।

  এইদিকে ইন্টিলিজেন্সের ইডিয়টি রিপোর্টে জানা যায়, বজারে মুরগীর ডিম সরবরাহো ও মুল্য বৃদ্ধির মুলকারন দুইটি।
    ১. দেশপ্রেমিক জাতীয় নেতা, বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা গো আযম এবং তার গং মুখে ও পুটু দুই দিকেই ডিম্ব গ্রহন শুরু করায়
দেশে এই ডিম্ব সংকট দেখা দিয়েছে।
   ২.একমাত্র দেশপ্রেমিক নাচিনা বাজার থেকে সব ডিম প্রত্যাহার করার জন্য গোপন নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি আশংকা করছেন
বাজারে ডিম থাকলে দেশের জনগন তার ও তার মন্ত্রীসভাকে তা উপহার দিতে পারেন।

   এ বিষয়ে নাচিনার কাছে জানতে চাইলে প্রথমেই তিনি আবুলের মতো হাসেন, পরে বলেন, দেশে ও বাজারে ডিমের সরবরাহ
যথেষ্ট পরিমানেই আছে। আমিও দুইবেলা ডিম খাই। তবে দাম বাড়া-নো হয়েছে কারন জনগন যাতে ভুলে না যায় ডিমেরও দাম
আছে। ইহা সরকারের প্রতি নিক্ষেপের বস্তু নয়।
  তিনি আরো বলেন, আমি আছি বলেই মুরগী ও মন্ত্রী একসাথে ডিম পাড়তেছে। আমি চোখ মুজলে ই ডিমের যে কি হবে?
 
 ডিমের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়ে মন্ত্রী আসল মাল কে প্রশ্ন করা হলে উনি বলেন, এসব জুয়াড়ী মুরগীদের ফটকাবাজী।
  তার পাশ থেকে ঠাকলা কামরুল বলেন, জানেন তারেক রহমান গত আমলে সকল মুরগীর পেট থেকে ডিম নিয়ে গেছে। আর কিছু
মুরগী যোদ্ধাপরাধীদের বাঁচাতে ডিম দিবেনা বলেছে। তারপরও কিন্তু বাজারে ডিমের জোয়ার বইছে। আর খাওয়ার এতো দরকার কি?
তার চেয়ে আলু মুলা খান। ডিমের উপর চাপ কমান।

শনিবার, ২৪ মার্চ, ২০১২

থ্রু হিচটরিঃ কাও টু বিকাম মগা চিজ (পর্ব-১)



ওয়ান্স আপন এ টাইম একটি মানব সন্তান জন্ম গ্রহন করিলো। মায়ের অজ্ঞতায়
আইয়োডিনের আভাবে বুদ্ধি পতিবন্ধি হিসাব শিশু সন্তানটি জন্ম নিলো। তার শেষ
আশা মায়ের শাল দুধও পাইলো না। তার দৃষ্টি সল্পতা দেখা দিলো।তার বাপ মা
আদর করিয়া তার নাম রাখিলো উউউউউউ সরি তার আসল নাম ভুলে গেছি।
পরিচিত মহল তার বুদ্ধি প্রতিবন্ধিতার দরুন তার নাম দিয়েছে 'মগা'। এই
নামের আড়ালে তার আসল নাম হারাইয়া গিয়াছে।

তার দশ বছর বয়সে তার বাপ মা ঠিক করিলো তারে খাতনা দেবে। বুদ্ধি প্রতিবন্ধি
খতনা বুঝিল না। সেও বাপ মায়ের সাথে লাফাইয়া চলিলো। তাদের এলাকার আযমের
নাম ছিলো ইসলাম মিয়া।তো মগার বাপ মায়ে মগারে নিয়া সেই আযমের কাছে খতনা দিতে
নিয়ে গেলো। মগারে নিয়ে আযম অন্য ঘরে গেল এবং মগার শিশ্ন ধরিলো। ওই বয়সেই মগার
শিশ্ন দাড়াই গেল। এবং আযমের ভুলে পুরা শিশ্ন কাটা গেলো। সেখানেই মগা তার পুরুষত্ব
হারাইলো।এর পর সে আযম বা ইসলাম নামটি বা শব্দটি শুনিলেই রাগিয়া যাইতো।এবং
উন্মাদের ন্যায় আচরন করিতো।

যৌবনে মগার বিখ্যাত হওয়ার সখ হইলো। কিন্তু তার মাঝে যেহেতু বিখ্যাত হওয়ার মতো
কোন গুণ ছিলোনা তাই সে নোয়াখাইল্লার কাছে ব্যাক সাইড বিক্রি করেও বিখ্যাত হইতে
পারিলো না। নোয়াখাইল্লা তারে সান্তনা স্বরূপ খোমা বইয়ে একখান হিসাব খুলিয়া দিলো।
মগা ভাবিলো বঙ্গদেশ হইতে সেই বোদ হয় প্রথম, তাই খোমা বইয়ে লিখিলো ভি,আই,পি
ইউজার। তার এমন কর্ম দেখে মানুষ বুঝিলো ইহা মোগর মগার হিসাব খাতা। লোকে
তার খাতায় এসে ঠাট্টা তামাশ করিতে লাগিলো। মগা তখন মনের দুঃখে খোমা বই ছেড়ে
অন্তজালের চটি সাইটে দিন কাটাইতে লাগিলো। এবং কাটা শিশ্ন খাড়া করার চেষ্টা করতে লাগলো।
একদা মগা "india+Scandal" লিখে গুগল মামায় সার্চ দিলো। দেখলো পাতা জুড়িয়া
শুধু পুনম পান্ডের খবর। পুনম পান্ডে কে মগা তা চিনিলো না। তাই সে ঘুরিয়া ঘুরিয়া দেখিতে
লাগিলো। বুঝলো পুনম পান্ডে নামে একখান মাংশ দাদাদের জয়ে ল্যাংটা হইয়া দৌড় দিবে বলে
নাম কামাইতেছে। তখন সে আবার মুন্নী বদনামের গান শুনতে ছিলো। তখন তার শিশ্ন পথে
একখান বুদ্ধি আইলো, যে কারো বদনামেও কারোনাম হয়। সে ভাবিতে লাগিলো ইহা সে কিভাবে
বঙ্গদের রঙ্গে ব্যাবহার করবে।

শুক্রবার, ২৩ মার্চ, ২০১২

একজন ডাক্তার ও একটি কুকুর (উৎসর্গ প্রিয় আসিফ মাহিউদ্দিন)



আমাদের মহল্লায় প্রতিমা বাল দেবী নামে একজন ডাক্তার আছেন। নিঃসন্তান ডাক্তার।
সারা মহল্লার সবার রোগে শোকে উনি ছুটে যান। গরীব ধনী সবার জন্য উনার দরজা খোলা।
সরকারি হাসপাতালে সাহায্যের দরকার হলে উনি ফোন টোন দিয়ে সাহায্য করেন।
শুক্রবারে উনি বিশেষ ভাবে ফ্রিতে রোগী দেখেন। উনার কর্ম উনার খ্যাতি এনে দিছে।
উনি মহল্লায় তাই বিখ্যাত।

উনার একটা বিদেশী জাতের কুকুর আছে।নাম তার লবাক। দেশে জন্মিলেও তার বাবা মা বিদেশী। তো
সে কুকুরটারও বিখ্যাত হওয়ার খায়েশ হলো। সেতো আর এমনি এমনি বিখ্যাত হতে পারবেনা।
তাই রোগী দেখুক বা পথচারী দেখুক বা চোর দেখুক, শুরু করে চিৎকার। সে হয়তো
সতর্ক করতে চায়। অথবা বিখ্যাত ডাক্তারের কাছে আসা রোগীদের কাছে ঘেউ ঘেউ করে
নিজের পরিচয় দিতে চায়। তার বিখ্যাত হওয়ার সখ। তার চিৎকারের জন্য সেও খ্যাতি পায়।
মহল্লার লোকজন তারে চিনে। তারে দেখলে দূরত্ব বজায় রেখে চলে। সে মনে মনে গর্বিত হয়।

সত্য হচ্ছে রোগী কিংবা পথচারীর কাছে সে বিরক্তির এক জন্তু। কেউ কেউ লাথি মরতে চায়।
কিন্তু সবাই জানে সবাই বুঝে এরে লাথি মেরেও লাভ হবে না। কুকুরের কাজ কুকুর করবে।
বুঝে না বুঝে চিৎকার করবে। চিৎকার করে করে সে মানুষ হবে না। লাথি মারলেও সে মানুষ
হবে না, তার চিৎকার কিংবা মৎকারও বন্ধ হবে না। ডাক্তার তার কর্মে বিখ্যাত থাকবেন, আর
তাকে অবলম্বন করে খ্যাতি চাওয়া কুকুর তার চিৎকরের জন্য কুখ্যাত কুকুরই থাকবে। আর ডাক্তারকে
ছেড়ে দিলে পথে পথে লাথি খাওয়া নেড়ি কুকুর হয়ে যাবে। কারন তার নিজের বলতে তো কোন পরিচয় নাই।

আমি কিন্তু কুকুরটাকে ভালবাসি। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলেন আদি যুগ থেকে কুকুর মানুষের সাথে সাথেই আছে।
অবশ্য ধর্ম বলে শয়তানও শুরু থেকে মানুষের সাথে সাথে আছে।

সোমবার, ১৯ মার্চ, ২০১২

প্রবাহ-২




মনুষ্য দিনের শেষে
প্রতিটি সন্ধ্যায়
জাগে ভীষন রক্ত পিপাসা
 ঘোর লাগা ঘোলাটে চোখে
দৃষ্টি বিভ্রম
আর বিভৎস দীর্ঘ রাত্রিতে
অস্থির এক পিশাচের
 ঘুমেরা হয়ে যায় খুন।

রবিবার, ১৮ মার্চ, ২০১২

দেশে এখন উন্নয়নের বন্যা

   গত ১৪ মার্চে বুবুজান জানাইলেন দেশে এখন উন্নয়নের বন্যা চলতেছে।
এমন অবস্হায় কিছু আবাল বাঙ্গালী স্বাভাবিক জীবনধারার আবদার আমার কাছে বড়ই ছেলে মানুষী মনে হইতেছে।
আমরা জানি বন্যা দূর্গত এলাকায় স্বাভাবিক জীবন যাত্রা ব্যাহত হয়,  আর এ তো স্বাভাবিক বন্যা না, উন্নয়নের বন্যা।
এখানে সরকার শুধু ত্রান কার্য চালাতে পারে। কারো বেডরুমে বা জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারে না।
বেডরুম বা নিজ জীবনের নিরাপত্তা চাইলে বন্যা দূর্গত এলাকার মানুষকে অবশ্যই স্বাভাবিক সময় চাইতে হবে। রংহেডেড এর বন্যা সময় না।
     কিছু কিছু মানুষ আবার পন্য দ্রবের অস্বাভাবিক দাম নিয়া অভিযোগ করতেছেন। এ সম্পর্কে মাননীয় মন্ত্রী টাল আশরাফ বলেছেন বন্যার সময় জিনিষ পত্রের দাম একটু বেশীই থাকে, আগেও ছিলো, এখনও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। এ নিয়ে সরকার বা আবুল সংগ চিন্তিত নয়। চিন্তার একটা বিষয় তা হলো "মাল"।  কারন মাল ভেলকি না দেখাইলে যে পদ্মা সেতুর কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।

    খদ্য অভাবে আত্মহত্যা করা ৭ বছরের বালিকা নিয়া কেউ কেউ চিল্লাচিল্লি করলে উইদা আউট বাড়া মন্ত্রী পাহাড়া বলেন  আমরা সকলের খাদ্য নিশ্চয়তা দেবার চেষ্টা করছি। প্রবীন নেতা বাংলা ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নদ্রষ্টা জাতীয় বীর গো আযমকে আমরা সুস্বাদু খাবার ও আচার এর ব্যাবস্থা করে দিয়েছি। এখন কোথাকার কোন ৭ বছরের বালিকা মরলো তা দেখার বিষয় না। জাতীয় বীরদের তো বাচাতে হবে। আবিয়াতি মন্ত্রীদের খেচাতে হবে।

কিছু মানুষ হাতি পাতি নেতাদের ত্রান চুরির বিষয়ে প্রশ্ন করলে বুবুজান বলেন যেহেতু পাকিস্তান থেকে আমাদের জন্ম তাই কেউ আমার কর্যকালাপে বিরক্ত হইলে বাবা পাকিস্তান বা মা ভারতস্তানের কাছে চলে যেতে পারেন। আপনাদের অবশ্যই জানা উচিত আমি বাবা মায়ের আদরের সন্তান। আমি বাবা পাকিদের বিনোদনের জন্য আমার সেরা সম্পদ ক্রিকেটারদের পর্যন্ত দান করেছি।

তিন আরো বলেন আপনারা এই দূর্যোগকালীন সময়ে প্রশ্ন না করে খড়কুটোর মতো আমাদের বন্যায় ভাসতে থাকুন। আপানাদের পাছায় পরজীবীর মতো মাংশ জমেছে। আপনারা এই বন্যা আটকাতে পারবেন না, সূতরাং ভাসতে থাকুন।

শনিবার, ১৭ মার্চ, ২০১২

ফাঁকি

তীর্যক চাহনিতে নিজেকে আয়নায় ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে দেখি। অবশেষে সিদ্ধান্তে আসি, বদলে গেছি। কানের কাছের চুলে পাক ধরেছে। চশমাটার প্রয়োজনীয়তাও বেড়েছে। খবরের কাগজটাও আগের চেয়ে বেশি আপন হয়েছে। দাদা বলতো, "বুঝলি, যেদিন বুড়ো হবি। সেদিন নিজের সংসারের চেয়ে, বিশ্বসংসারের খোঁজ নেওয়াটা বেশি জরুরী হবে।" আমি শুনে অনেক হেসেছিলাম। দাদুটা যে কি বলে! সারাদিন আবোল-তাবোল। আজ দাদু নেই। থাকার কথাও না। সময় আস্তে আস্তে সবাইকে গিলে নিচ্ছে। দাদু, বাবা-মা সবাইকে। এবার বুঝি আমার পালা এলো!

(চলবে........)