শনিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১২

মঘা ৪ ও ৫


বিখ্যাত কিংবা কুখ্যাত হবার ভাবনায় মত্ত মঘার কাঁটা শিশ্ন মনিকার ভারী বক্ষ দেখিয়া আলতো নড়া চড়া করিলেও
মনিকার প্রতি মঘার ভাবনা বঙ্গ দেশের রঙ্গে বাজার পাইলো না। না পাইলো পরিপূর্ন যৌন স্বাদ,না পাইলো বিখ্যাত কিংবা কুখ্যাত হওয়ার স্বাধ।মাত্রতিরিক্ত হাত চালানুর দরুন হাতের ব্যথা ছাড়া মঘার কপালে কিছুই জুটিল না। ক্লান্ত হইয়া মঘা পীরে আলা কুত্তালীগের চেলা নোয়াখাইল্লার কাছে ছুটিয়া গেল। নোয়াখাইল্লা তখন ময়ূরীর সাথে নিজের ছবি জোড়া ব্যাস্ত ছিলো। মঘাকে দেখিবা মাত্র ময়ূরীর বেক সাইড মনে করিয়া মঘার বেক সাইড উদাম করিতে লাগিলো। গোলমান মঘা তাতে কুই কুই করিয়া অসম্মতি জানালেও নোয়াখাইল্লা তা শুনিলো না। মঘা আর বাধা না দিয়া বরং তা উপভোগ করিতে লাগিলো এবং পীরে আলার কাছে নিজ মনবেদনা বলিতে লাগিলো। পরীরে চোখে তখন শুধুই ময়ূরী আর নিম্ন মঘা। সে হাপাইতে হাপাইতে “ময়ূরী তোল ময়ূরী তোল” বলিতে লাগিলো। পরীরের বীর্যপাতের সাথে সাথে মঘার মগজ খুলিয়া গেল। সে বুঝিতে পারিলো দেশী বাজার পাইতে হইলে দেশী মালই বিক্রি করিতে হইবে। বিদেশী মাল অশিক্ষিত বঙ্গ দেশের বাজারে চলিবে না।সে পরীর ুু চাটিতে চাটিতে ভাবিল ইশ দেশে যদি সবাই আমার মত শিক্ষিত হইতো, তবে কবেই মনিকার ভাবনা বিকিয়া বিখ্যাত বা কুখ্যাত হইতাম।

পীর বলিয়াছেন ময়ূরী তোল তাই শিশ্নে মাংস সংকটে ভোগা মঘা মাংশের স্বাদ নিতে বা শুধু পীরের কথায় চলতে ময়ূরীকে তোলতে উঠে পড়ে লাগলো। ময়ূরীরে উত্তলন সহজে না হইলেও মঘার পতন সহজেই হইতে লাগিলো। হস্তি কন্যা ময়ূরীকে তোলতে মঘা তার দিন মান সপে দিলো। তাতে সে শুধু আধারেই ডুবিলো,সাফ্যলের আলোর মুখ আর সে দেখিলো না। এমনই আধারী এক দিনে নামের শেষে ইসলাম যুক্ত মুক্ত মনা এক চিত্র পরিচালক ময়ূরী ভাবিয়া মঘার মুখ আধারে ব্যাবহার করিলো। মুখের মধ্য ** থাকায় সে প্রতিবাদ করিতে পারিল না। পরিচালকের দুইখানা চটখানা খাইয়া পরিচালকের নির্জাস পান করিতে বাদ্য হইলো। ততক্ষনাত তার মাথায় আইলো বিখ্যাত বা কুখ্যাত বা ময়ূরীকে উত্তলন তার কার্য নহে। তাই নীরবে সে তার ঘরে ফিরে গেল। ঘরে ফিরেও সে নিস্তার পাইলো না. পোয়াতী মহিলাদের ন্যায় বারবার তার বমি আসিতে লাগিলো। সামু ডুকিলেই সে বমি করিয়া দিত।
একদিন গভীর রাত্রিতে সে ঘুমের ঘোরে মনিকা নিয়া খেলিতেছিল,হঠাৎ বমি আসিলো। তার সূখ স্বপ্ন ছুটিয়া গেল। কাটা শিশ্ন আবার নেতাইয়া পড়িলো। সব কিছুর মুলে এই ইসলাম ভাবিয়া ইসলাম কে একখান গালি দিয়া সে তার রুম হইতে বাতরুম পানে চলিলো। পতিমধ্যে সে তার বাবা মায়ের রুম হইতে শিৎকার ধ্বনি শুনিলো। দারজার ফাকে সে বাবা মায়ে রতি ক্রিয়া দেখিয়া এবং নিজেরে নপংসুক ভাবিয়া তার মেজাজ সপ্তমে উঠিল। সে ভাবিল আমার শিশ্ন কাটায়ে তোমরা আনন্দ ভোগ করিতেছ, বাস্তবে না পারি ভার্চুয়ালী তোমাদের আমি োদিয়া দেব। বামরুম হইতে আসিয়াই সে সামুতে বসিলো। সে প্রসব বেদনা আক্রান্ত হইয়া ইসালামকে গালাগালি দিয়া ও মায়ে সাথে সেক্স হালাল লিখিয়া একখানা পোষ্ট প্রসব করিলো। সে পোষ্টখানা মুক্তমনা ও বৈজ্ঞানিক যুক্তি খাওয়াইতে চাইলো। তবে বিজ্ঞ জনেরা মঘাকে আগেই চিনতেন। তাই তারা তাতে কর্ণপাত করিলেন না। তারা তাকে মানুষ আর কুকুরে তফাথ বুঝাইলেন না, তারা তাকে এও বুঝাইলেন না বস্ত্র বিসর্জন বা আদি গুহা মানবের ন্যায় বাঁচা বিজ্ঞান কিংবা ইসলামের লক্ষ্য নয়। কারন তারা জানিতেন তার কাটা শিশ্ন পথে ধাতু নিস্বরন হইতে না পারিয়া তার মাথায় উঠিয়াছে। এই বুদ্ধি প্রতিবন্ধীর সাথে তর্ক নয় বরং করুনা প্রদর্শনই শ্রেয়।

বুধবার, ১১ এপ্রিল, ২০১২

সুরঞ্জিত বলেন আমার টেকা নিয়া কোন চুদুর বুদুর ছলত না

সুরঞ্জিত বাবুর ঘুষের ৭০ লাখ টাকার বিষয়ে টাকলু কামরুল ও চেহারা খাতুন যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা বলেন,
"৭০ ও ৭১ সংখ্যা দুইটার সাথে আমাদের স্বাধীনতা অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। স্বাধীনতাকে বিতর্কিত করতে স্বাধীনতা বিরোধীরা এই ৭০ সংখ্যাটিকে বিতর্কিত করতে চাচ্ছে। আমরা সুরঞ্জিত বাবুকে ধন্যবাদ জানাই তিনি দেশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক ৭০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তিনি চাইলে তো এর থেকে কম বা বেশী নিতে পারতেন। কিন্তু না তিনি আমাদের স্বাধীনতার প্রতি এ এক বিরল সম্মান প্রদর্শন করেছেন। স্বাধীনতার বছরের সাথে মিল রেখে উনি ঘুষ নিয়েছেন। আমরা ধারনা করছি স্বাধীনতা বিরোধী বি,এন,পি জোটের সাথে যোগশোজসে ড্রাইবার এই টাকা আইনের হাতে বেআইনি ভাবে তুলে দিয়েছে।আমরা গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছি ড্রাইবারকে চ্যাং ধুলা করে আসল কারন জানতে।আশা করা যায় ৪৮ ঘন্টার ভিতর দেশবাসী অন্ত্যত  ৯২টা কারন
জানতে পারবেন।"

জানিনা কি মন্ত্রী আবুল হোসেন এক বিবৃতিতে বলেছেন," বাবু সুরঞ্জিতের পারফরম্যানসে আমি হতাশ। আমি পদ্মা সেতু খাইলাম, জনগনে উপর অতিরিক্ত ১০০০ হাজার কোটি টাকার ঋন চাপাইলাম, তাও কেউ আমারে ধরতে পারে নাই। দুদুক(কার দুদু :O) বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আমার একটা বালও ফালাইতে পারে নাই, অথচ আম্বা মন্ত্রী হয়ে উনি মাত্র ৭০ লাখ টেকা খাইতে গিয়া দরাখাইলেন!!এ বড় লজ্জার বিষয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ এই কাচা ঘুষখোরদের দিয়া রেলমন্ত্রনালয় না চালাইয়া আমার মত পাক্কা খিলাড়ীর কাছে আবার রেলমন্ত্রনালয় দেয়া হোক।"

এদিকে সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত এক বিবৃতিতে বলেন, "আপনারা জানেন আমাদের হিন্দু ধর্মালম্বিদের এক সম্প্রদায় নামের শেষে ঘোষ লিখেন। আমি তাদের সম্প্রদায়ের মানুষ নই। আমার নামের শেষে গুপ্ত। আমি গুপ্ত পথে কামানোতে সিদ্ধহস্ত। কিন্তু কিছু মৌলবাদী আমার নামের সাথে ঘোষ যুক্ত করতে চাচ্ছে। ইহা সংখ্যা লুঘুদের নিপীড়নের সামিল। আমি ঘুঘু মন্ত্রী চেহারা খাতুনের দ্রুত হস্তাক্ষেপ কামনা করছি।আমি আমার টাকা ফিরত চাই।আমার টাকা নিয়া কোন চুদুর বুদুর মানতাম না। কত গলাবাজি করে আমি এই মন্ত্রনালয় পেয়েছি তা আমি জানি।এখন এই টাকা ফিরত না পেলে আমি বুবুরে মুখ দেখাতে পারব না। তিনি আমার উপর অনেক ভরস রেখে এই মন্ত্রনালয় আমাকে দিয়েছেন। তিনি আগেই বলে দিয়েছিলেন আবুলের মত আমি যেন ধরা না খাই। আবুলের থেকেও যেন আমি বেশী কামাই।কিন্তু কুচক্রী স্বাধীনতা বিরোধীরা আমাদের ইনকামে টাকা ধরিয়ে দেয়ার তীব্র নিন্দা জানাই।
এ কেমন গনতন্ত্র যেখানে সরকারের মন্ত্রীর টাকা ধরা খায়। আমি বিরোধীদলকে সুষ্ঠ গনতন্ত্রের চর্চার আহবান জানাচ্ছি। আমাদের এই শেষ দুই বছর শান্তিতে টাকা কামাইতে দিন, পরে পাঁচ বছর আপনারা কামান।"

রবিবার, ৮ এপ্রিল, ২০১২

মন্ত্রীদের কান্নাকাটি ও নেত্রীর মোল্ল লবনের প্রতি অভিযোগ

গতকাল সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে প্রধান মন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রী সভার বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
গতকালকের বৈঠকে বিভিন্ন ছাতালীগের নেতার পকেটের উন্নয়ন কর্মসূচি উপস্থাপন করার কথা থাকলেও তা হয়নি।
বৈঠকের শুরুতেই কয়েকজন সিনিয়র মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করে হাউ মাউ করে কান্না জুড়ে দেন।
বিচলিত হয়ে প্রধানমন্ত্রী কান্নার কারন জানতে চাইলে প্রায় সকল মন্ত্রী এক সাথে কথা বলে উঠেন। নেত্রী তখন ধমক দিয়ে সবাইকে চুপ করান এবং এক এক করে সবাইকে বলতে বলেন।
 প্রথমে কথা বলেন অর্থমন্ত্রী বিশিষ্ট আবুল গন্ডারের ছাল। তিনি  'ওগো রাজকন্যা,ওগো সুকন্যা...' সহ বিভিন্ন স্তুতি বাক্য বলা
শুরু করলে প্রধান মন্ত্রী হাত দিয়ে তারে থামান (বিজ্ঞরা বুঝে নিয়েন হাতটা কোথায় ;) ) এবং মূল কথায় আসতে
বলেন। মাল খাওয়া টাল মন্ত্রী ছাল তখন বলেন, ''আপনি জানেন মানুষের পকেট কাঁটা আমার এবং আমার মন্ত্রনালয়ের কাজ। অথচ
সাংবাদিকরা এ বিষয়ে প্রশ্ন না করে আমাকে কি সব রিজার্ভ টিজার্ভ নিয়ে প্রশ্ন করে বেকায়দায় ফেলে। আমি কি গাড়ি,
নাকি হোটেল, নাকি বেশ্যা যে আমার রিজার্ভ থাকব? বেশী স্বাধীনতা পাওয়া সাংবাদিকেরা অহেতুক প্রশ্নবানে আমাদের
জর্জরিত করে। আপনি এ বিষয়ে জরুরী কোন পদক্ষেপ নিন।" তখন সকল মন্ত্রী এক সাথে "ঠিক ঠিক" বলে মৎকার করে
উঠেন।
প্রধানমন্ত্রী তখন তাদের শান্ত করেন (;) বিজ্ঞরা বুঝে নিয়েন) এবং বলেন. "সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে, পকেট উন্নয়ন বাধাগ্রাস্থ করতে
আমার এবং আমার আবুল মন্ত্রী সভার বিরোদ্ধে অনেকেই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছেন। দেশে প্রথম আয়োডিন যুক্ত লবন কোম্পানি মোল্লা লবনও
সে সূক্ষ ষড়যন্ত্রে স্থুলভাবে অংশ নিয়েছেন। তারা সবার লবনে আয়ডিন দেয়, সাংবাদিকদের লবনে বেশী আয়ডিন দেয় কিন্তু আমার বা আমার মন্ত্রী সভার
লবনে আয়ডিন দেয় না। আয়ডিনের আভাবে আজ আমার মন্ত্রী সভার মন্ত্রীদের বুদ্ধিলোপ পেয়েছে।" তিনি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন "হয়
আমাদের আয়ডিন যুক্ত লবন দেবার ব্যাবস্থা করুন নয়তো প্রশ্ন করা বন্ধ করুন। দোহাই লাগে আপনাদের আমার নাদান মন্ত্রীদের নিয়ে এইভাবে
ছিনিমিনি খেলবেন না। অবলা মন্ত্রীদের বুদ্ধি সুদ্ধি নিয়ে হাস্যরস্য করবেন না।" এসময় প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের চোখ অশ্রুতে ছলছল হয়ে উঠে।

হনু এবং খনু পাগলী।

কথা বল এবং প্রাকৃতিক বড় কর্ম সাধনের মধ্যে বিশেষ কিছু মিল আছে।কোষ্টকাঠিন্য হলে আপনি চাইলেও দিতে পারবেন না।কথা বলাও তদ্রুপ।মোদ্দা কথা আপনার পেট ক্লিয়ার থাকতে হবে।সে অর্থে আমরা একজন গ্যাসবিহীন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি।বলুন হক মাওলা।সমবেত স্বরে বলতে হবে কিন্তু।

কথাতো অনেকেই বলে কজনের কথা নিয়ে গবেষনা বা আলোচনা হয়? আমাদের গ্রামের হুনু পাগলী ছিল সাথে ছিল আরেক পাগলী খুনু পাগলী।হুনু পাগলী কিছুটা শিক্ষিত।পাগলী হবার আগেই পাঁচ কেলাস পড়েছে।অন্যদিকে খুনু পাগলী স্কুলে যাবার আগেই পাগল হয়েছে।তারাও কথা বলে,কিন্তু আলোচনাতো আর হয় না।ছেলেপেলে অবশ্যই এসব পাগলীর কথার পর বলতো "পাগলা কামড়ে দে"। এই দুই পাগলীর মধ্যে আবার তীব্র প্রতিযোগিতা রয়েছে।যাই হোক পাগলীরে কথা ডিটেইলসে পরে আসছি।আগে কথার কথা বলি।

সে অনেকদিন আগের কথা।বাংলার বুকে জন্মনিয়েছিলেন এক কথা শিল্পী।কে জানত ইনি একদিন দেশের শ্রেষ্ট কথা শিল্পী হবেন।এইযে পাঠক আপনাকেই বলছি "কথা শিল্পী বলতে কি বুঝতে পারছেন?
না না লেখক জাতীয় কিছুই না।কথা শিল্পীর সংজ্ঞাটা তাই দেয়া প্রয়োজন "যে ব্যাক্তি (নারীও কি ব্যাক্তি হয়),জানিয়া শুনিয়া বুঝিয়া,সাজিয়া,আরও হাজার "ইয়া" যোগ করিয়া তাহার জিহবা তলোয়ারের মত চালান তিনিই কথা শিল্পী"।এই কথা শিল্পীর কারনেই পত্রিকাগুলো খেয়ে পড়ে বেঁচে আছে।নইলে কবেই সাংবাদিকরা সং সেজে দিক বেদিক ঘুরতো।যাই হোক উনি সাংবাদিক নিয়েও কথা বলেছেন।তার দুটি উক্তি এখানে হুবুহু তুলে দিচ্ছি।(উনার কথা হুবুহু না তুললে পাঠকরা কথার অর্থ ধরতে পারবেন না)।উনি বলেছেন  " পত্রিকা টিভি গুলো সত্য মিথ্যা মিশিয়ে যা ইচ্ছা বলে "।

আধুনিক সাংবাদিকতায় সত্য এবং মিথ্যের যে সাংঘর্ষিক সম্পর্ক তাতে উনার এই উক্তি বিশেষ দরজা খুলে দিয়েছে।দরজা বলতে আবার কেবল বেডরুমের দরজা ভাববেন না। ও হ্যাঁ বেডরুম নিয়েও উনি কথা বলেছেন,উনি বলেছেন "সরকারের পক্ষে বেডরুম পাহারা দিয়া সম্ভব নয়"।উনার এই উক্তিতে বুঝা যায় উনি কতটা সত্যবাদী।বেডরুমের মত এত ছোট একটা জিনিস সরকার পাহারা দিবে কেন? সরকার পাহারা দিবে স্টেডিয়াম।ও হ্যাঁ উনি কিন্তু স্টেডিয়ামেও যান।বাংলাদেশের খেলা দেখেন।খেলা কেবল দেখেননি বাংলাদেশের হারের পোষ্টমর্টেম তৈরি করে উনি জানিয়েছেন "হারের কারন খালেদা জিয়া"।শ্রীলংকা যখন দক্ষিন আফ্রিকায় হারে তখন সে দেশের বোর্ড হারের কারন খুজতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন।অথচ আমাদের দেশ প্রধান চিন্তা করেই বের করে ফেলেছেন সব।হালা বলদ লংকান।

উনি বলেন নাই পৃথীবির এমন কোন বিষয় আপাতত নাই।উনি কি বলেছেন এটা না খুজে বলা উচিত উনি কি বলেন নাই? সারাদেশের মানুষ লোডশেডিং নিয়ে অনেক কথা বলেন।গোপনে বা প্রকাশ্যে সরকারকে গালি দেয়।আসলে এই জাতি বেয়াদব জাতি।তাদের কিচ্ছু মনে থাকে না।তাই তিনি হয়ে গেলেন বিদ্রোহী,বললেন "“ লোডশেডিং-এর দরকার আছে, মানুষ যাতে ভুলে না যায় লোডশেডিং নামে কিছু একটা ছিল”
" যারা বিদ্যুতের উৎপাদন দেখে না তাদের সমালোচনার কারণে মাঝে মধ্যে ইচ্ছা করে, আমরা যে তিন হাজার ৩০০ মেগাওয়াট অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করছি তা বন্ধ করে দিই। তারপর দেখি কী হয়?  তিনি যোগ করেন।

(শব্দ ভান্ডারের কমতির কারনে পুরো লাইনটা ঠিকভাবে আসেনি)লাইনটা হবে এমন
"বাছারা বুঝতেছনাতো
লাইট অফ কইরা দিলে
মামা বুঝবা ঠ্যালা।
ভুল জায়গার জ্বালা"

আচ্ছা যাই হোক উনার সর্বশেষ ডেলেভারী মানে কথার ডেলিভারী আরকি  "" সু'চিকেও আমার মতো সংগ্রাম করতে হয়েছে "
কতটা মহান হলে সূচীর সাথে নিজেকে তুলনা করতে পারেন।শ্রদ্ধায় আমার মাথা নুইয়ে যাচ্ছে।এইজন্য লেখাটা ভাল হচ্ছে না।বারবার মাথাটা উপরে তুলছি।

যাবার আগে এলাকার দুই পাগলীর ছোট্ট একটা গল্প।
দুই পাগলী পছন্দ করতো এলাকার সবচে হ্যান্ডসাম যুবককে।যুবক দেখতে চিরসবুজ নায়কের মত।সহজ সরল যুবক দুই পাগলীর পাগলামি বুঝত না।পাগলীদ্বয় যতটা না পাগল তারচে বেশী যুবকের জন্য মাতাল।সুযোগ বুঝে খনু পাগলী যুবকের মাথার ক্যাপ খুললো,হনু পাগলী নিজের সুযোগ মত শার্টটা খুলে ফেল।এবার আবার খনু পাগলীর পালা।এবার সে যুবকের বেল্ট খুলে প্যান্ট এর অবস্থান নড়বড়ে করে দিল।সুযোগ বুঝে হনু পাগলী প্যান্টটা টেনে খুলে পাশের গ্রামের মনা পাগলাকে পড়তে দিলো।প্যান্টবিহীন যুবকের কান্না করা ছাড়া কিছুই করার নেই।এত অবশ্য তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে খনু পাগলী।

(পরের পর্বে দুই পাগলীর প্রতিদন্ধিতার গল্প বলবো)

শুক্রবার, ৬ এপ্রিল, ২০১২

শিরোনাম নাই :(

সে অনেক দিন আগের কথা। তখন লোকেরা মীরজাফরের কথা ভুলিয়া গেছে।বাংলার মসনদ
তখন খালি। ইন্ডিয়ান কোম্পানি বঙ্গের মসনদে বসানোর জন্য একজন মীরজাফরের উত্তরসূরি
খুঁজতে ছিলো। তখন তাদের দৃষ্টিকে মীরজাফরের মাতা বিশ্ববেঈমান তার অনাবৃত উরু দেখাইয়া
আকর্ষন করিলো। কামভোগ ক্রিয়ার পর মসনদে তারে বসানো ঠিক হইলো।

বাংলা মসনদে আরোহন নিশ্চিত হওয়ার পরে নিখিল ভারত আওয়মীলীগ নেত্রী আবুল সভা
বা মন্ত্রী সভা গঠনের জন্য বিশ্বস্ত ছোট বোন,মোরগা তোফায়েল ও দাদা প্রতিনিধি এক গোপন
বৈঠকে মিলিত হইলেন। দুই মহিলা আর দুই পুরুষ গোপনে মিলিত হইলে যা হয়, তাদেরও তা
হইলো। শিশ্ন থেকে বীর্য মাথায় উঠিলো। তাদের বীর্য তাড়িত মগজ মন্ত্রী সভা বা আবুল সভা
গঠনে কয়েকটি বিষয়ে ঐকমত প্রকাশ করলো। এবং মিলিত হইয়া আনন্দ ভোগের সাথে সাথে
যে সকল বিষয়ে ঐকমত প্রকাশ করলেন তা হলো,
 
  1. অর্থমন্ত্রী আবশ্যই ফটকাবাজী করে মাল কামানোর মতো আবুল হতে হবে।
 
  2. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবশ্যই কলা গাছের ন্যায় হতে হবে। যার নিজস্ব বেডরুমে কোন কলা বা ছোলা
 থাকতে পারবে না।
 
  3.পররাষ্ট্র মন্ত্রীকে আবশ্যই বিশ্বাস করতে হবে সে পর রাষ্ট্রের মন্ত্রী এবং সে বঙ্গরাষ্ট্রের রঙ্গ নিয়ে
  না ভেবে দেশে বিদেশে ঘুরায় বেড়াইবে।
 
  4.আইন মন্ত্রী এমন একজন হতে হবে যে সারাজীবন স্যাজিষ্টেট কোটে যুক্তিহীন ভাবে চিলাইয়াই
 গেছে। যুক্তি যার ছোট মগজ কখনও ধারন করতে পারে নাই।
 
  5.যোগাযোগ মন্ত্রী এমন একজনকে হতে হবে যার দাতে কোন গাত নাই। এবং যে কমিশন গ্রহনে
  সিদ্ধ হস্ত।

 6.স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এমন একজনকে হতে হবে যে মনে প্রাণে বঙ্গদেশীয় স্থানিও না।

 7. সর্বোপরি সকলকে মালখোর আবুল হতে হবে।

 তারপর তার সম্বভোগ ও রাষ্ট্র ভোগ করিতে ঝাপাইয়া পড়িলেন।