সুরঞ্জিত বাবুর ঘুষের ৭০ লাখ টাকার বিষয়ে টাকলু কামরুল ও চেহারা খাতুন যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা বলেন,
"৭০ ও ৭১ সংখ্যা দুইটার সাথে আমাদের স্বাধীনতা অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। স্বাধীনতাকে বিতর্কিত করতে স্বাধীনতা বিরোধীরা এই ৭০ সংখ্যাটিকে বিতর্কিত করতে চাচ্ছে। আমরা সুরঞ্জিত বাবুকে ধন্যবাদ জানাই তিনি দেশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক ৭০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তিনি চাইলে তো এর থেকে কম বা বেশী নিতে পারতেন। কিন্তু না তিনি আমাদের স্বাধীনতার প্রতি এ এক বিরল সম্মান প্রদর্শন করেছেন। স্বাধীনতার বছরের সাথে মিল রেখে উনি ঘুষ নিয়েছেন। আমরা ধারনা করছি স্বাধীনতা বিরোধী বি,এন,পি জোটের সাথে যোগশোজসে ড্রাইবার এই টাকা আইনের হাতে বেআইনি ভাবে তুলে দিয়েছে।আমরা গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছি ড্রাইবারকে চ্যাং ধুলা করে আসল কারন জানতে।আশা করা যায় ৪৮ ঘন্টার ভিতর দেশবাসী অন্ত্যত ৯২টা কারন
জানতে পারবেন।"
জানিনা কি মন্ত্রী আবুল হোসেন এক বিবৃতিতে বলেছেন," বাবু সুরঞ্জিতের পারফরম্যানসে আমি হতাশ। আমি পদ্মা সেতু খাইলাম, জনগনে উপর অতিরিক্ত ১০০০ হাজার কোটি টাকার ঋন চাপাইলাম, তাও কেউ আমারে ধরতে পারে নাই। দুদুক(কার দুদু :O) বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আমার একটা বালও ফালাইতে পারে নাই, অথচ আম্বা মন্ত্রী হয়ে উনি মাত্র ৭০ লাখ টেকা খাইতে গিয়া দরাখাইলেন!!এ বড় লজ্জার বিষয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ এই কাচা ঘুষখোরদের দিয়া রেলমন্ত্রনালয় না চালাইয়া আমার মত পাক্কা খিলাড়ীর কাছে আবার রেলমন্ত্রনালয় দেয়া হোক।"
এদিকে সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত এক বিবৃতিতে বলেন, "আপনারা জানেন আমাদের হিন্দু ধর্মালম্বিদের এক সম্প্রদায় নামের শেষে ঘোষ লিখেন। আমি তাদের সম্প্রদায়ের মানুষ নই। আমার নামের শেষে গুপ্ত। আমি গুপ্ত পথে কামানোতে সিদ্ধহস্ত। কিন্তু কিছু মৌলবাদী আমার নামের সাথে ঘোষ যুক্ত করতে চাচ্ছে। ইহা সংখ্যা লুঘুদের নিপীড়নের সামিল। আমি ঘুঘু মন্ত্রী চেহারা খাতুনের দ্রুত হস্তাক্ষেপ কামনা করছি।আমি আমার টাকা ফিরত চাই।আমার টাকা নিয়া কোন চুদুর বুদুর মানতাম না। কত গলাবাজি করে আমি এই মন্ত্রনালয় পেয়েছি তা আমি জানি।এখন এই টাকা ফিরত না পেলে আমি বুবুরে মুখ দেখাতে পারব না। তিনি আমার উপর অনেক ভরস রেখে এই মন্ত্রনালয় আমাকে দিয়েছেন। তিনি আগেই বলে দিয়েছিলেন আবুলের মত আমি যেন ধরা না খাই। আবুলের থেকেও যেন আমি বেশী কামাই।কিন্তু কুচক্রী স্বাধীনতা বিরোধীরা আমাদের ইনকামে টাকা ধরিয়ে দেয়ার তীব্র নিন্দা জানাই।
এ কেমন গনতন্ত্র যেখানে সরকারের মন্ত্রীর টাকা ধরা খায়। আমি বিরোধীদলকে সুষ্ঠ গনতন্ত্রের চর্চার আহবান জানাচ্ছি। আমাদের এই শেষ দুই বছর শান্তিতে টাকা কামাইতে দিন, পরে পাঁচ বছর আপনারা কামান।"
"৭০ ও ৭১ সংখ্যা দুইটার সাথে আমাদের স্বাধীনতা অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। স্বাধীনতাকে বিতর্কিত করতে স্বাধীনতা বিরোধীরা এই ৭০ সংখ্যাটিকে বিতর্কিত করতে চাচ্ছে। আমরা সুরঞ্জিত বাবুকে ধন্যবাদ জানাই তিনি দেশের স্বাধীনতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন পূর্বক ৭০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। তিনি চাইলে তো এর থেকে কম বা বেশী নিতে পারতেন। কিন্তু না তিনি আমাদের স্বাধীনতার প্রতি এ এক বিরল সম্মান প্রদর্শন করেছেন। স্বাধীনতার বছরের সাথে মিল রেখে উনি ঘুষ নিয়েছেন। আমরা ধারনা করছি স্বাধীনতা বিরোধী বি,এন,পি জোটের সাথে যোগশোজসে ড্রাইবার এই টাকা আইনের হাতে বেআইনি ভাবে তুলে দিয়েছে।আমরা গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছি ড্রাইবারকে চ্যাং ধুলা করে আসল কারন জানতে।আশা করা যায় ৪৮ ঘন্টার ভিতর দেশবাসী অন্ত্যত ৯২টা কারন
জানতে পারবেন।"
জানিনা কি মন্ত্রী আবুল হোসেন এক বিবৃতিতে বলেছেন," বাবু সুরঞ্জিতের পারফরম্যানসে আমি হতাশ। আমি পদ্মা সেতু খাইলাম, জনগনে উপর অতিরিক্ত ১০০০ হাজার কোটি টাকার ঋন চাপাইলাম, তাও কেউ আমারে ধরতে পারে নাই। দুদুক(কার দুদু :O) বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আমার একটা বালও ফালাইতে পারে নাই, অথচ আম্বা মন্ত্রী হয়ে উনি মাত্র ৭০ লাখ টেকা খাইতে গিয়া দরাখাইলেন!!এ বড় লজ্জার বিষয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট অনুরোধ এই কাচা ঘুষখোরদের দিয়া রেলমন্ত্রনালয় না চালাইয়া আমার মত পাক্কা খিলাড়ীর কাছে আবার রেলমন্ত্রনালয় দেয়া হোক।"
এদিকে সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত এক বিবৃতিতে বলেন, "আপনারা জানেন আমাদের হিন্দু ধর্মালম্বিদের এক সম্প্রদায় নামের শেষে ঘোষ লিখেন। আমি তাদের সম্প্রদায়ের মানুষ নই। আমার নামের শেষে গুপ্ত। আমি গুপ্ত পথে কামানোতে সিদ্ধহস্ত। কিন্তু কিছু মৌলবাদী আমার নামের সাথে ঘোষ যুক্ত করতে চাচ্ছে। ইহা সংখ্যা লুঘুদের নিপীড়নের সামিল। আমি ঘুঘু মন্ত্রী চেহারা খাতুনের দ্রুত হস্তাক্ষেপ কামনা করছি।আমি আমার টাকা ফিরত চাই।আমার টাকা নিয়া কোন চুদুর বুদুর মানতাম না। কত গলাবাজি করে আমি এই মন্ত্রনালয় পেয়েছি তা আমি জানি।এখন এই টাকা ফিরত না পেলে আমি বুবুরে মুখ দেখাতে পারব না। তিনি আমার উপর অনেক ভরস রেখে এই মন্ত্রনালয় আমাকে দিয়েছেন। তিনি আগেই বলে দিয়েছিলেন আবুলের মত আমি যেন ধরা না খাই। আবুলের থেকেও যেন আমি বেশী কামাই।কিন্তু কুচক্রী স্বাধীনতা বিরোধীরা আমাদের ইনকামে টাকা ধরিয়ে দেয়ার তীব্র নিন্দা জানাই।
এ কেমন গনতন্ত্র যেখানে সরকারের মন্ত্রীর টাকা ধরা খায়। আমি বিরোধীদলকে সুষ্ঠ গনতন্ত্রের চর্চার আহবান জানাচ্ছি। আমাদের এই শেষ দুই বছর শান্তিতে টাকা কামাইতে দিন, পরে পাঁচ বছর আপনারা কামান।"
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন