শনিবার, ১৪ এপ্রিল, ২০১২

মঘা ৪ ও ৫


বিখ্যাত কিংবা কুখ্যাত হবার ভাবনায় মত্ত মঘার কাঁটা শিশ্ন মনিকার ভারী বক্ষ দেখিয়া আলতো নড়া চড়া করিলেও
মনিকার প্রতি মঘার ভাবনা বঙ্গ দেশের রঙ্গে বাজার পাইলো না। না পাইলো পরিপূর্ন যৌন স্বাদ,না পাইলো বিখ্যাত কিংবা কুখ্যাত হওয়ার স্বাধ।মাত্রতিরিক্ত হাত চালানুর দরুন হাতের ব্যথা ছাড়া মঘার কপালে কিছুই জুটিল না। ক্লান্ত হইয়া মঘা পীরে আলা কুত্তালীগের চেলা নোয়াখাইল্লার কাছে ছুটিয়া গেল। নোয়াখাইল্লা তখন ময়ূরীর সাথে নিজের ছবি জোড়া ব্যাস্ত ছিলো। মঘাকে দেখিবা মাত্র ময়ূরীর বেক সাইড মনে করিয়া মঘার বেক সাইড উদাম করিতে লাগিলো। গোলমান মঘা তাতে কুই কুই করিয়া অসম্মতি জানালেও নোয়াখাইল্লা তা শুনিলো না। মঘা আর বাধা না দিয়া বরং তা উপভোগ করিতে লাগিলো এবং পীরে আলার কাছে নিজ মনবেদনা বলিতে লাগিলো। পরীরে চোখে তখন শুধুই ময়ূরী আর নিম্ন মঘা। সে হাপাইতে হাপাইতে “ময়ূরী তোল ময়ূরী তোল” বলিতে লাগিলো। পরীরের বীর্যপাতের সাথে সাথে মঘার মগজ খুলিয়া গেল। সে বুঝিতে পারিলো দেশী বাজার পাইতে হইলে দেশী মালই বিক্রি করিতে হইবে। বিদেশী মাল অশিক্ষিত বঙ্গ দেশের বাজারে চলিবে না।সে পরীর ুু চাটিতে চাটিতে ভাবিল ইশ দেশে যদি সবাই আমার মত শিক্ষিত হইতো, তবে কবেই মনিকার ভাবনা বিকিয়া বিখ্যাত বা কুখ্যাত হইতাম।

পীর বলিয়াছেন ময়ূরী তোল তাই শিশ্নে মাংস সংকটে ভোগা মঘা মাংশের স্বাদ নিতে বা শুধু পীরের কথায় চলতে ময়ূরীকে তোলতে উঠে পড়ে লাগলো। ময়ূরীরে উত্তলন সহজে না হইলেও মঘার পতন সহজেই হইতে লাগিলো। হস্তি কন্যা ময়ূরীকে তোলতে মঘা তার দিন মান সপে দিলো। তাতে সে শুধু আধারেই ডুবিলো,সাফ্যলের আলোর মুখ আর সে দেখিলো না। এমনই আধারী এক দিনে নামের শেষে ইসলাম যুক্ত মুক্ত মনা এক চিত্র পরিচালক ময়ূরী ভাবিয়া মঘার মুখ আধারে ব্যাবহার করিলো। মুখের মধ্য ** থাকায় সে প্রতিবাদ করিতে পারিল না। পরিচালকের দুইখানা চটখানা খাইয়া পরিচালকের নির্জাস পান করিতে বাদ্য হইলো। ততক্ষনাত তার মাথায় আইলো বিখ্যাত বা কুখ্যাত বা ময়ূরীকে উত্তলন তার কার্য নহে। তাই নীরবে সে তার ঘরে ফিরে গেল। ঘরে ফিরেও সে নিস্তার পাইলো না. পোয়াতী মহিলাদের ন্যায় বারবার তার বমি আসিতে লাগিলো। সামু ডুকিলেই সে বমি করিয়া দিত।
একদিন গভীর রাত্রিতে সে ঘুমের ঘোরে মনিকা নিয়া খেলিতেছিল,হঠাৎ বমি আসিলো। তার সূখ স্বপ্ন ছুটিয়া গেল। কাটা শিশ্ন আবার নেতাইয়া পড়িলো। সব কিছুর মুলে এই ইসলাম ভাবিয়া ইসলাম কে একখান গালি দিয়া সে তার রুম হইতে বাতরুম পানে চলিলো। পতিমধ্যে সে তার বাবা মায়ের রুম হইতে শিৎকার ধ্বনি শুনিলো। দারজার ফাকে সে বাবা মায়ে রতি ক্রিয়া দেখিয়া এবং নিজেরে নপংসুক ভাবিয়া তার মেজাজ সপ্তমে উঠিল। সে ভাবিল আমার শিশ্ন কাটায়ে তোমরা আনন্দ ভোগ করিতেছ, বাস্তবে না পারি ভার্চুয়ালী তোমাদের আমি োদিয়া দেব। বামরুম হইতে আসিয়াই সে সামুতে বসিলো। সে প্রসব বেদনা আক্রান্ত হইয়া ইসালামকে গালাগালি দিয়া ও মায়ে সাথে সেক্স হালাল লিখিয়া একখানা পোষ্ট প্রসব করিলো। সে পোষ্টখানা মুক্তমনা ও বৈজ্ঞানিক যুক্তি খাওয়াইতে চাইলো। তবে বিজ্ঞ জনেরা মঘাকে আগেই চিনতেন। তাই তারা তাতে কর্ণপাত করিলেন না। তারা তাকে মানুষ আর কুকুরে তফাথ বুঝাইলেন না, তারা তাকে এও বুঝাইলেন না বস্ত্র বিসর্জন বা আদি গুহা মানবের ন্যায় বাঁচা বিজ্ঞান কিংবা ইসলামের লক্ষ্য নয়। কারন তারা জানিতেন তার কাটা শিশ্ন পথে ধাতু নিস্বরন হইতে না পারিয়া তার মাথায় উঠিয়াছে। এই বুদ্ধি প্রতিবন্ধীর সাথে তর্ক নয় বরং করুনা প্রদর্শনই শ্রেয়।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন